শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৩

D ঢাকার সেরা সেরা খাবারের তালিকা

লেখাটি এখান থেকে নেয়া হয়েছে 

হয়তো অনেকের কাছে এ লিষ্টটা আছে তবু আবার দিলাম।ঢাকা শহরের কিছু ভালো খাবারের তালিকা যা একবার খেলে আবার খেতে ইচ্ছে করবে।

১. মিরপুর কাজীপাড়া বাস ষ্ট্যান্ড এর বৈঠকখানা রেষ্টুরেন্ট এর আফগানী মুর্গ পোলাও এবং পাক্কি বিরিয়ানী
২. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও
৩. ঝিগাতলার সুনামী রেস্তোরা এর কাচ্চি বিরিয়ানী, গাউছিয়া হোটলের গ্রিল
৪. খিঁলগাও এর ভোলা ভাই বিরিয়ানী এর গরুর চাপ এবং মুক্তা বিরিয়ানী এর গরুর চাপ, খাসীর চাপ এবং ফুল কবুতর
৫. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী
৬. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি+গ্লাসি
৭. লালমাটিয়ার স্বাদ এর তেহারী
৮. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা
৯. নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরীতে ৭০টি আইটেমের বুফে
১০. হাতিরপুল মোড়ে হেরিটেজ এর শর্মা
১১. শ্যামলী রিং রোডের আল-মাহবুব রেস্তোরার গ্রীল চিকেন
১২. মোহাম্মদপুর জেনেভা/বিহারী ক্যাম্পের গরু ও খাশির চাপ
১৩. মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের সামনের বিহারী ক্যাম্পের "মান্জারের পুরি"
১৪. চকবাজারের শাহ সাহেবের বিরিয়ানী
১৫. মিরপুর-১০-এর শওকতের কাবাব
১৬. নারিন্দার শাহ সাহেবের ঝুনার বিরিয়ানী
১৭. ইংলিশ রোডের মানিকের নাস্তা
১৮. গুলশানের কস্তুরির সরমা
১৯. সোবহানবাগের প্রিন্স রেস্টুরেন্ট এর কাকড়া
২০. সাইন্স-ল্যাবের ছায়ানীড়ের গ্রীল-চিকেন
২১. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী
২২. জেলখানা গেটের পাশে হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্রাই
২৩. নয়া বাজারের করিমের বিরিয়ানী
২৪. হাজি বিরিয়ানী এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানী
২৫. লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
২৬. বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ী
২৭. খিলগাঁও বাজারের উল্টো পাশে আল রহমানিয়ার গ্রীল চিকেন আর তেহারী
২৮. মতিঝিল সিটি সেন্টারের পিছনের বালুর মাঠের পিছনের মামার খিচুড়ী
২৯. চানখারপুলের নীরব হোটেলের ভুনা গরু আর ভর্তার সাথে ভাত
৩০. ধানমন্ডী লায়লাতির খাসির ভুনা খিচুড়ী
৩১. হোসনী দালান রোডে রাতের বেলার পরটা আর কলিজা ভাজি
৩২. নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার
৩৩. পুরানা পল্টনে খানা-বাসমতির চাইনিজ প্যাকেজ
৩৪. বনানীর বুমারস রেস্টুরেন্টের বুফে প্যাকেজ
৩৫. ধানমন্ডির কড়াই গোশত এর ইলিশ সস
৩৬. গুলশান ২ এর খাজানার মাটন দম বিরিয়ানী এবং হাইদ্রাবাদী বিরিয়ানী
৩৭. উত্তরার একুশে রেস্তোরার গ্রীল চিকেন
৩৮. ধানমন্ডি/বনানীর স্টার হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব
৩৯. মৌচাকের স্বাদ রেস্তোরার ভাতের সাথে ৩৬ রকমের ভর্তা
৪০. সাইন্স ল্যাবে মালঞ্চ রেস্তোরার কাচ্চি বিরিয়ানী, রেশমী কাবাব
৪১. সুবহানবাগের তেহারী ঘর এর তেহারী-ভুনা খিচুরী
৪২. ভূত এর কাকড়া, সিজলিং, সূপ
৪৩. শর্মা এন পিজ্জার বীফ শর্মা
৪৪. মিরপুর ঝুট পট্টির রাব্বানির চা
৪৫. চকের নূরানি ড্রিংস এর লাচ্ছি
৪৬. চকের বিসমিল্লাহ হোটেলের মোঘলাই পরটা
৪৭. সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলের সামনের মামার আলুর দম।
৪৮. সোহরয়ার্দী কলেজের সামনে জসিমের চটপটি ও ফুচকা।
৪৯. বাংলাবাজারে (সদরঘাট) চৌরঙ্গী হোটেলের সকালের নাস্তা।
৫০. অমূল্য মিষ্টান্ন ভান্ডারের (শাঁখারীবাজার) হালুয়া, পরোটা, সন্দেশ।
৫১. গোপীবাগের খাজা হালিম ও টিটির কাচ্চি
৫২. বাসাবোর হোটেল রাসেলের "শিককাবাব"
৫৩. বায়তুল মোকাররমে অলিম্পিয়া কনফেকশনারীর "চকলেট পেস্টি"
৫৪. কর্নফুলি গার্ডেন সিটির চার তালার "ফুচকা"
৫৫. কাঁটাবন ঢালে অষ্টব্যঞ্জনের বিফ খিচুড়ী
৫৬. পল্টনের (বিজয়নগর পানির ট্যাকিংর পেছনে) নোয়াখালী হোটেলের গরুর কালো ভুনা
৫৭. ডিসেন্ট (মতিঝিল, হাতিরপুল, বনশ্রী, ধানমন্ডি, চক, নওয়াব---এদের প্রচুর শাখা) এর ডেজার্ট আইটেমগুলা ভালো।
৫৮. বিউটি বোডিং এর মুড়িঘন্ট
৫৯. পল্টনের নোয়াখালী হোটেলের কালো ভুনা   

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৩

ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তি জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা এবং ক্যারিয়ারের কথা ভাবছেন?

প্রবাসে বসেও শুধুমাত্র দেশের জন্য কিছু একটা করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিনামূল্যে বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে জার্মানিতে বসবাসরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রী এবং কর্মজীবীদের সমন্বয়ে ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিসাগ (বিএসএএজি - বাংলাদেশী স্টুডেন্ট & এলুম্নাই এসোসিয়েশন ইন জার্মানি)। 

২০১৩ এর ইংরেজি নববর্ষের প্রথমদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে বেসরকারি উদ্যোগে প্রথমবারের মতন জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার উপর সেমিনারের আয়োজন করেছিল বিসাগ। সারাদিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় দুই হাজার ছাত্রছাত্রীকে নিজেদের বহুবছরের হেঁটে আসা চেনা-পথ থেকে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারের উপর নানান তথ্য তুলে ধরেন জার্মান প্রবাসী বিসাগের সদস্যরা। 

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করার ধাপসমূহ অথবা সফলভাবে জার্মানিতে পড়তে আসতে চাইলে যে ৭ টি কাজ অবশ্যই করতে হবে , কত টাকা খরচ হতে পারে, ঠিক কতটুকু জার্মান ভাষার পারদর্শিতা না থাকলেই নয় - এমন হাজারও প্রশ্নের উওর জানতে এবং জার্মানিকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে জানতে দেখুন:

ওয়েবসাইট: http://bsaagweb.de/ 
ফেইসবুক ফোরাম: http://www.facebook.com/groups/BSAAG/
ফেইসবুকপেইজ: Click This Link
ইউটিউব: http://www.youtube.com/user/BSAAG

বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৩

জারমানির দিনকাল

২৭ জুন ২০১৩ রাত ১:৫৩
জারমানীতে এসেছি প্রায় একবছরতো হয়ে গেল।অনেকদিন হল ফাইবুরগ এ বন্দুদের খবর নেয়া হয় না। আসলে এখন আর ইচ্ছা করে না কারো সাথে যোগাযোগ করতে।তার পরেও একটা কৌতুহল যা আমার ভিতরে অনেক বেশি, তাইতো কি খবর সবার জানতে রায়হানের বিভার এ ফোনদিতেই বিভার বলে ও আর নাকি ইউজ করে না।এটা দেখেতো কৌতুহল আরও বেড়ে গেল।বলে কি শেযমেয তারই আর এক রুমমেট সুব্রত কে কল দিলাম মোবাইল থেকে।সে ও ফোন ধরে না।এবার ফোনদিলাম আর একরুমমেট ইমরানকে।সে বলে সুব্রত ঘুমাচ্ছে তাই ফোন ধরে না। ইমরানকে বললাম সুব্রত এর স্কাইপ অন করে আমাকে কল দিতে ।কল রিসিপ করে সবার কি অবস্তা জানতে চাইতেই যা বলল তাতে মনটা খারাপ হয়ে গেল। রায়হান নাকি আয়ারল্যান্ড চলে গেছে। প্রথমে বিশ্বাস না হলেও পরে বুঝলাম কি করবে বেচারা আগামি মাসে ভিসা শেয হয়ে যাবে।কিছু করতে পারে নি। না ল্যাঙ্গুয়েজ কোরস না কোথাও এডমিশন। তাই উপায় না দেখে সময় থাকতে থাকতে চাচার জোরে মানে আয়ারল্যান্ড এ চাচার সাথে যোগাযোগ করে চলে গেছে সেখানে । আসলেই মামা চাচার জোর অনেক বেশি কারজকর।কিছুদিন াগে তানজিরুল নামে একজন চলে গেল মিউনিখে ।কোনরকম তিনমাস পার করে ভিসা বাড়িয়ে চলে গেল মিউনিখ ,কারন হিসবে বলল,একানে জব নেই,বাসা নেই ,আদৌ হবেকিনা তার ও ঠিকনেই।মিউনিখে মামা আছে মামার বিশাল ব্যবসা আছে। কিছুদিন আগে ফেজবুকে স্ট্যাটাজে দেখলাম জব পেয়ে গেছে,নতুন স্কুলে ক্লাস ও করছে। দেখে ভাল লাগল ,যাক ভাল আছে।মামা চাচার কথায় মনে পরে  গেল ২০০৮ এর কথা ঢাকা শেরাটনে ইন্টারনি সেষ করে জব ের জন্য এপ্লাই করেছি। ইন্টার্ভিউ দেবার আগেই রিতিমত রোস্টার করে শিফট এ জব কাজ করছি সবাই মোটামোটি কনফার্ম আমি জয়েন করছি । কিন্তু কিছুদিন পর জানলাম আমার জবটা হচ্ছে না।কারনটা কিছুদিন পর এক বর ভাই এর কাছে জানলাম, একজিকিউটিভ শেফ একজনকে রিকমেন্ট করেছে,সুতরাং তাকে নিতেই হবে হাজার হোক সে শেরাটনের মেইন অফিসের এমপ্লয়ি আর তার খমতা জি এম এর ই পরে।তো কি আর করার অনেক কষ্ট নিয়ে কান্না চাপাদিয়ে বেরিয়ে এসিছিলাম পাচতারা হোটেল থেকে।

বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১১

B বান্দরবান

লেখাটি এখান থেকে নেয়া হয়েছে 


প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের অবারিত সবুজের সমারোহ এবং মেঘে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে যার আছে সে সহজেই বাংলাদেশের পাহাড়ী কন্যা বান্দরবান ঘুরে আসতে পারেন।

বান্দরবান ভ্রমনের টুকিটাকি জেনে নিন:-

কি ভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে আপিন ২/৩ টি রুট ব্যবহার করতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর চট্টগ্রাম থেকে সোজা বান্দরবান।

ঢাকা থেকে বান্দরবান ডাইরেক্ট =>
ঢাকা থেকে বান্দরবান পযর্ন্ত ডাইরেক্ট একটি গাড়ী চলে এস.আলম (নন এসি)। ভাড়া জনপ্রতি-৩৫০ টাকা। ছাড়ে এস.আলমের কমলাপুর রেল ষ্টেশনের বিপরীত কাউন্টার থেকে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে =>
ট্রেনে: এসি- ৩৬৫-৪৮০ টাকা। নন এসি-১৫০-১৬৫ টাকা।
বাসে: এসি- ৫৮০-৭৯০ টাকা। নন এসি-২০০-২৫০ টাকা।

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান => বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে পূরবী এবং পূর্বাণী নামক দুটি ডাইরেক্ট নন এসি বাস আছে ৩০ মিঃ পর পর বান্দরবানের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতি-৭০ টাকা।

কোথায় থাকবেন:

বান্দরবনে পর্যটন কর্পোরেশনের একটি হোটেল আছে মেঘলাতে। যার ভাড়া রুম প্রতি ৭৫০ হইতে ২০০০টাকা পর্যন্ত। বুকিং ফোন:- 0361-62741এবং 0361-62742।

হোটেল ফোর স্টার : এটি বান্দরবান বাজারে অবস্থিত। রুম ভাড়া সিঙ্গেল-৩০০ টাকা, ডাবল- ৬০০, এসি-১২০০ টাকা। বুকিং ফোন:-০৩৬১-৬৩৫৬৬, ০১৮১৩২৭৮৭৩১,০১৫৫৩৪২১০৮৯।

হোটেল থ্রী স্টার : এটি বান্দরবান বাস স্টপের পাশে অবস্থিত। নীলগিরির গাড়ী এই হোটেলের সামনে থেকে ছাড়া হয়। এটি ৮/১০ জন থাকতে পারে ৪ বেডের এমন একটি ফ্ল্যাট। প্রতি নন এসি ফ্ল্যাট-২৫০০ টাকা, এসি-৩০০০ টাকা। বুকিং ফোন:-থ্রী স্টার এবং ফোর ষ্টার হোটেল মালিক একজন মানিক চৌধুরী-০১৫৫৩৪২১০৮৯।

হোটেল প্লাজা বান্দরবান: এটি বাজারের কাছে অবস্থিত। রুম ভাড়া সিঙ্গেল-৪০০ টাকা, ডাবল- ৮৫০, এসি-১২০০ টাকা। বুকিং ফোন:- ০৩৬১-৬৩২৫২।

কি কি দেখবেন:


নীলগিরির আরো ছবি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন=> "নীলগিরির ছবি"
নীলগিরি: বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৪৭ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বদিকে লামা উপজেলার অংশে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২২০০ ফুট উপরে বাংলাদেশের নতুন পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির অবস্থান। যাকে বাংলাদেশের দার্জিলিং হিসাবে অবহিত করা যায়। যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালী চলে দিনরাত। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন ঐ মেঘের দেশে। তবে যারা মেঘ ভালোবাসেন তারা জুন-জুলাইতে অর্থাৎ বর্ষাকালে ভ্রমণে গেলে বেশী মজা পাবেন। কারন মেঘ তখন আপনা হতে এসে আপনাকে ধরা দিয়ে যাবে।

নীলগিরি যাওয়া হোটেল বুকিং ও অন্যান্য:
নীলগিরি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত একটি পর্যটন স্পট। বর্তমানে নীলগিরির কটেজ গুলো এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত সব বুকড করা আছে। আপনি ইচ্ছে করলে এর পরের জন্য বুকড করতে পারবেন। ভি.আই.পি নাম্বার-০১৯২৫৮৮২৩৩৮ শুধু মাত্র সেনাবাহিনী অফিসার ও উচ্চ পদস্থ সরকারী কমকর্তার জন্য।

সাধারন পর্যটকের জন্য বুকিং ব্যবস্থা এখানে:-
পেট্রো এভিয়েশন
৬৯/২, লেভেল-৪,রোড-৭/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
ফোন:-মনতোষ মজুমদার-০১৭৩০০৪৩৬০৩ এবং হাসান সাহেদ-০১৭৩০০৪৩৬০৩।

কটেজ ভাড়া:
গিরি মারমেট: ৭৫০০ টাকা। (৮/১০ জন থাকতে পারবে)।
মেঘদূত: ৬৫০০ টাকা। (৮/১০ জন থাকতে পারবে)।
নীলাঙ্গনা: ৫৫০০ টাকা। (৪/৬ জন থাকতে পারবে ২ রুমে) এটি ছবির বাশের কটেজটি।
নীলাঙ্গনায় কাপলের জন্য এক রুম ভাড়া নেওয়া যায় যাহা ৫৫০০টাকার অর্ধেকে ২৭৫০টাকায়।

এখানে খাবার ব্রেকফাষ্ট+লান্স+ডিনার মিলে খরচ হবে দিনে ৫০০ টাকা জনপ্রতি। এবং এটি অবশ্যই কটেজ বুকিং দেওয়ার সাথে খাবার বুকিংও দিতে হবে অন্যথায় কটেজে থাকতে হবে না খেয়েই।

কি ভাবে যাবেন: নীলগিরি যেতে হলে আগে থেকে ল্যান্ড ক্রুজার জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় ৪ ঘঃ ৩০মিঃ। ভাড়া সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত আসা-যাওয়া-ছোট জীপ- ৫সিট-২৩০০ টাকা এবং বড় জীপ-৮সিট- ২৮০০ টাকা। কিন্তু এখানে ড্রাইভাররা আপনার কাছে আরো অনেক বেশী চাইতে পারে যা কখনো দিবেন না।

বাদশা - (৫ সিটের ল্যান্ড ক্রুজার ড্রাইভার)
ফোন:-০১৫৫০৬০১৬৩৫,০১৯২৫৮৭০০২৭।
আমি এই ড্রাইভারের মাধ্যমে (নীলগিরি+চিম্বুক+শৈলপ্রপাত+স্বর্ণ মন্দির) এই চারটি সাইট দেখেছি মাত্র ২৮০০ টাকা এবং দুপুরে তাকে লান্স করানোর মাধ্যমে। ইচ্ছে করলে স্থানীয় ড্রাইভার বাদশার সহযোগীতা নিতে পারেন।


স্বর্ণমন্দিরের আরো ছবি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন=> "স্বর্ণমন্দিরের ছবি"
স্বর্ণমন্দির : বর্তমানে স্বর্ণমন্দির উপাশনালয়টি বান্দরবান জেলার একটি অন্যতম পর্যটন স্পট হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এই "বৌদ্ধ ধাতু জাদী" কে স্বর্ণমন্দির নামাকরন করা হয়। এটি বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীদের একটি উল্লেখযোগ্য উপাশনালয়। যাহা বান্দরবান শহর থেকে ৪ কি:মি: উত্তরে বালাঘাট নামক এলাকায় পাহাড়ের চূঁড়ায় অবস্থিত। এটির নির্মাণশৈলী মায়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ টেম্পল গুলোর আদলে তৈরী করা হয়। বান্দরবান ভ্রমণে আপনিও এই জাদী বা স্বর্ণমন্দিরটি একবার স্বচক্ষে দেখে আসতে পারেন।


মেঘলার আরো ছবি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন=> "মেঘলার ছবি"
মেঘলা : নাম মেঘলা হলেও মেঘের সাথে মেঘলা পর্যটন স্পটের কোন সর্ম্পক নেই। বান্দরবান জেলা শহরে প্রবেশের ৭ কি:মি: আগে মেঘলা পর্যটন এলাকাটি অবস্থিত। এটি সুন্দর কিছু উঁচু নিচু পাহাড় বেষ্টিত একটি লেককে ঘিরে গড়ে উঠে। ঘন সবুজ গাছ আর লেকের স্বচ্ছ পানি পর্যটককে প্রকৃতির কাছাকাছি টেনে নেয় প্রতিনিয়ত। পানিতে যেমন রয়েছে হাঁসের প্যাডেল বোট, তেমনি ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা। আর আকাশে ঝুলে আছে রোপওয়ে কার। এখানে সবুজ প্রকৃতি, লেকের স্বচ্ছ পানি আর পাহাড়ের চুঁড়ায় চড়ে দেখতে পাবেন ঢেউ খেলানো পাহাড়ী বান্দরবানের নয়নাভিরাম দৃশ্য। মেঘলা পর্যটন স্পটের পাশেই রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের বান্দরবান পর্যটন হোটেলটি।


শৈল প্রপাত : শৈল প্রপাত বান্দরবান শহর হতে ৭ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা যাবে।


নীলাচল : নীলাচল বান্দরবান শহর হতে ১০ কি:মি: দক্ষিণে ১৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত একটি পর্বত শীর্ষ। যেখান থেকে নীলআকাশ যেন তার নীল আচল বিছিয়ে দিয়েছে ভূমির সবুজ জমিনে। যে দিকে দুচোখ যায় অবারিত সবুজ ও নীল আকাশের হাতছানি। মুগ্ধতায় ভরে উঠে মন প্রাণ।


মিলনছড়ি : মিলনছড়ি বান্দরবান শহর হতে ৩ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে শৈল প্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ পাড়ি আছে। পাহাড়ের অতি উচ্চতায় রাস্তার ধারে দাড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুক ছিড়ে সর্পিল গতিতে বয়ে সাঙ্গু নামক মোহনীয় নদীটি।


চিম্বুক : চিম্বুক বান্দরবনের অনেক পুরনো পর্যটন স্পট। বান্দরবান শহর হতে ২১ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে মিলনছড়ি এবং শৈল প্রপাত ফেলে চিম্বুক যেতে হয়। এখানে পাহাড়ের চুঁড়ায় রেষ্টুরেন্ট এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার আছে।পাহাড়ের চুঁড়া থেকে চারদিকের সবুজ প্রকৃতির সৌন্দয্য অবগাহন এখানে প্রকৃতি প্রেমীদের টেনে আনে।


সাঙ্গু নদী : পূর্বের অতিউচ্চ পর্বত শীর্ষ থেকে সাঙ্গু নদী নেমে এসে বান্দরবন শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশে গেছে। বান্দরবান শহরের পূর্বে পাশে পাহাড়ী ঢালে বয়ে চলা সাঙ্গু নীদ দেখতে দারুন দৃষ্টি নন্দন।

শৈল প্রপাত: নীলাচল: চিম্বুক:মিলনছড়ি:সাঙ্গুর আরো ছবি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন=> "শৈল প্রপাত: নীলাচল: চিম্বুক:মিলনছড়ি:সাঙ্গুর ছবি"