E লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
E লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

Eating Hilsa in Chandpur (ইলিশ খেতে চাঁদপুরে)

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

E তাজা ইলিশ ভাজা ইলিশ


লেখাটি এখান থেকে নেয়া হয়েছে 
প্রতি রাতে অফিস থেকে বেরোনোর সময় দেখি কারওয়ান বাজারে ট্রাক ঢুকছে। সেই ট্রাক থেকে সবজি নামিয়ে মাথার ঝাঁকায় বা ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পাইকারি বাজারে। এখানেও তেমন দৃশ্য চোখে পড়ল। তবে ট্রাকের বদলে ট্রলার, আর সবজির বদলে ইলিশ।চাঁদপুরের মাছঘাটের অভিজ্ঞতা এটা। গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায়। চাঁদপুর বন্ধুসভার দুই বন্ধু নাজমুল ও এমরানকে সঙ্গে নিয়ে একটু আগেই ঘুরে এসেছি বিখ্যাত মোহনা। এই মোহনায় পদ্মা, মেঘনা আর ডাকাতিয়া নদীর পানি এসে মিশেছে। যা দেখা যায় শহরের মোলহেড থেকে। পার্কের মতো এ জায়গা বড় স্টেশন নামেও পরিচিত। দূর থেকে সহজেই পানির রং দেখে নদীগুলোকে চেনা যায়।ইলিশ ভাজা, মাওয়া লঞ্চঘাট
আবার আসি ইলিশে। আগের রাতে, আর সেদিন দুপুরে প্রথম আলোর চাঁদপুর প্রতিনিধি আলম পলাশের পৈতৃক বাড়ি ‘বকুল বাগে’ চাঁদপুরের বিখ্যাত পদ্মার ইলিশের স্বাদ নেওয়া হয়ে গেছে। ইলিশ ভাজা, ইলিশ তরকারি দুটোই ছিল দারুণ। এবার বাজার দেখার পালা। মাছঘাটে মাছের বিরাট আড়ত। এখানে সব ধরনের মাছই আসে। তবে এখন বৃষ্টি ভালো হচ্ছে, পদ্মায় ইলিশও ধরা পড়ছে বেশ। তাই আড়তজুড়ে ইলিশ আর ইলিশ। ট্রলার থেকে ঝাঁকায় ঝাঁকায় মাছ আসছে। সেগুলো মেঝেতে থরে থরে বরফ দিয়ে সাজিয়ে রাখা হচ্ছে, তারপর হচ্ছে ‘ডাক’। ডাক মানে নিলামে পাইকারেরা মাছ কিনে নিয়ে আবার বরফভরা বড় বড় বাক্সে মাছগুলো রাখেন। এরপর ছোট বা বড় ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন সারা দেশে, এমনকি বিদেশেও।
সন্ধ্যায় চাঁদপুরের মাছঘাটে সরগরম ইলিশের আড়তমাছঘাটের আড়তে ইলিশের দাম নির্ভর করে এর ওজন আর কয়টা কিনবেন তার ওপর। ৬০০ থেকে শুরু করে দেড় হাজার টাকা কেজি পর্যন্ত দাম চাইলেন বিক্রেতারা। ওজন ৬০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত। এখানে হাজারো ইলিশের ভিড়ে কেনাকাটা করতে গেলে মুলোমুলিটা ভালোই করতে হবে। ইলিশের বড় রাজ্য থেকে আমরা চলে যাই বিপণিবিতান বাজার। এটা জমে ওঠে দুপুরের পর থেকে, খোলা থাকে রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত। এখানেও তাজা ইলিশ পাওয়া যাবে। দাম ঘাটের চেয়ে বেশি না।
আগের দুবেলা ঘরের রান্নায় ইলিশ খাওয়া হয়েছে, আলম পলাশ বললেন, ‘শেষ বেলাটা চলেন ছোট্ট এক দোকানে যাই। এখানে ইলিশ ভাজা আর সাদা ভাত পাওয়া যায়।’ আমরা চললাম বড় স্টেশন মোড়ের মনু মিয়ার হোটেলে। কাঁচা মাছের টুকরা দেখিয়ে দিলাম, হলুদ-মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে বড় কড়াইয়ে ডুবোতেলে ভাজা হলো সেগুলো। সঙ্গে শুকনা মরিচ ভাজা। প্রতি টুকরা ইলিশ ভাজার দাম ৬০ টাকা।
ইলিশ ভাজার কথাই যখন উঠল তখন আসল জায়গায় আসি। পদ্মার পাড়ে মুন্সিগঞ্জের মাওয়াঘাট। এই মাওয়ার ইলিশ ভাজা অসাধারণ। অনেকগুলো হোটেল, সবগুলোরই মূল আকর্ষণ ইলিশ ভাজা। এখন তো ইলিশের মৌসুম, তাই স্বাদটাও সেরা। টাটকা ইলিশের টুকরা তো আছেই, চাইলে ইলিশের মাথা আর ডিমও ভেজে দেবে। এই তাজা ভাজা ইলিশের স্বাদ জিবে লেগে থাকে অনেক দিন। ২৯ আগস্ট দুপুরে খাওয়া হলো সেই ইলিশ ভাজা। একটা টিপস—খাওয়ার আগে মাছের টুকরার আকার-প্রকার দেখে দামটা ঠিক করে নেবেন। আকার বুঝে দাম পড়বে ৬০ থেকে ১০০ টাকা প্রতি টুকরা। মাওয়ার লঞ্চ আর ফেরিঘাটে বেশ কয়েকটি খাবার হোটেল আছে, এসবের যেকোনো একটায় বসে পড়লেই হলো।তাজা ইলিশ
যদি মাওয়া থেকে ইলিশ কিনতে চান, তবে যেতে হবে ভোরে। ভোর থেকে এখানকার আড়তে ইলিশ মাছ আসতে থাকে। সঙ্গে সব ধরনের মাছই পাওয়া যায় এ বাজারে। এখানেও দামাদামি করে মাছ কিনতে হবে। এ বাজারে বিকিকিনি চলে সকাল আটটা পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া অন্য দিনগুলোতে এখানে মাছের দাম কমই থাকে।
চাঁদপুর হোক আর মাওয়াই হোক, পদ্মার ইলিশ কেনা আর খাওয়ার এটাই আসল সময়। আর সময়ের ইলিশ সময়ে না খেলে কি চলে!যেভাবে যাবেনচাঁদপুর যেতে পারেন সড়ক ও নদীপথে। ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে সারা দিনই চাঁদপুরের বাস ছাড়ে। আর সদরঘাট থেকে ছাড়ে লঞ্চ। সকাল, দুপুর ও মধ্যরাতে ময়ূর, ঈগল, আল বোরাক, নিউ আল বোরাক, রফরফ ইত্যাদি লঞ্চ যাওয়া-আসা করে চাঁদপুরে। দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যাবে।
ঢাকা থেকে মাওয়ার দূরত্ব ৫০ কিলোমিটারের কম। গুলিস্তান থেকে ‘ইলিশ’ বাস নিয়মিত মাওয়া যাতায়াত করে। এ ছাড়া নিজের গাড়িতে করেও যাওয়া যাবে মাওয়ায়।পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া—তিন নদীর মোহনায় বিকেলে নৌভ্রমণ করেন অনেকেই। ছবি: লেখক

শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৩

D ঢাকার সেরা সেরা খাবারের তালিকা

লেখাটি এখান থেকে নেয়া হয়েছে 

হয়তো অনেকের কাছে এ লিষ্টটা আছে তবু আবার দিলাম।ঢাকা শহরের কিছু ভালো খাবারের তালিকা যা একবার খেলে আবার খেতে ইচ্ছে করবে।

১. মিরপুর কাজীপাড়া বাস ষ্ট্যান্ড এর বৈঠকখানা রেষ্টুরেন্ট এর আফগানী মুর্গ পোলাও এবং পাক্কি বিরিয়ানী
২. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও
৩. ঝিগাতলার সুনামী রেস্তোরা এর কাচ্চি বিরিয়ানী, গাউছিয়া হোটলের গ্রিল
৪. খিঁলগাও এর ভোলা ভাই বিরিয়ানী এর গরুর চাপ এবং মুক্তা বিরিয়ানী এর গরুর চাপ, খাসীর চাপ এবং ফুল কবুতর
৫. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী
৬. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি+গ্লাসি
৭. লালমাটিয়ার স্বাদ এর তেহারী
৮. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা
৯. নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরীতে ৭০টি আইটেমের বুফে
১০. হাতিরপুল মোড়ে হেরিটেজ এর শর্মা
১১. শ্যামলী রিং রোডের আল-মাহবুব রেস্তোরার গ্রীল চিকেন
১২. মোহাম্মদপুর জেনেভা/বিহারী ক্যাম্পের গরু ও খাশির চাপ
১৩. মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের সামনের বিহারী ক্যাম্পের "মান্জারের পুরি"
১৪. চকবাজারের শাহ সাহেবের বিরিয়ানী
১৫. মিরপুর-১০-এর শওকতের কাবাব
১৬. নারিন্দার শাহ সাহেবের ঝুনার বিরিয়ানী
১৭. ইংলিশ রোডের মানিকের নাস্তা
১৮. গুলশানের কস্তুরির সরমা
১৯. সোবহানবাগের প্রিন্স রেস্টুরেন্ট এর কাকড়া
২০. সাইন্স-ল্যাবের ছায়ানীড়ের গ্রীল-চিকেন
২১. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী
২২. জেলখানা গেটের পাশে হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্রাই
২৩. নয়া বাজারের করিমের বিরিয়ানী
২৪. হাজি বিরিয়ানী এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানী
২৫. লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
২৬. বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ী
২৭. খিলগাঁও বাজারের উল্টো পাশে আল রহমানিয়ার গ্রীল চিকেন আর তেহারী
২৮. মতিঝিল সিটি সেন্টারের পিছনের বালুর মাঠের পিছনের মামার খিচুড়ী
২৯. চানখারপুলের নীরব হোটেলের ভুনা গরু আর ভর্তার সাথে ভাত
৩০. ধানমন্ডী লায়লাতির খাসির ভুনা খিচুড়ী
৩১. হোসনী দালান রোডে রাতের বেলার পরটা আর কলিজা ভাজি
৩২. নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার
৩৩. পুরানা পল্টনে খানা-বাসমতির চাইনিজ প্যাকেজ
৩৪. বনানীর বুমারস রেস্টুরেন্টের বুফে প্যাকেজ
৩৫. ধানমন্ডির কড়াই গোশত এর ইলিশ সস
৩৬. গুলশান ২ এর খাজানার মাটন দম বিরিয়ানী এবং হাইদ্রাবাদী বিরিয়ানী
৩৭. উত্তরার একুশে রেস্তোরার গ্রীল চিকেন
৩৮. ধানমন্ডি/বনানীর স্টার হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব
৩৯. মৌচাকের স্বাদ রেস্তোরার ভাতের সাথে ৩৬ রকমের ভর্তা
৪০. সাইন্স ল্যাবে মালঞ্চ রেস্তোরার কাচ্চি বিরিয়ানী, রেশমী কাবাব
৪১. সুবহানবাগের তেহারী ঘর এর তেহারী-ভুনা খিচুরী
৪২. ভূত এর কাকড়া, সিজলিং, সূপ
৪৩. শর্মা এন পিজ্জার বীফ শর্মা
৪৪. মিরপুর ঝুট পট্টির রাব্বানির চা
৪৫. চকের নূরানি ড্রিংস এর লাচ্ছি
৪৬. চকের বিসমিল্লাহ হোটেলের মোঘলাই পরটা
৪৭. সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলের সামনের মামার আলুর দম।
৪৮. সোহরয়ার্দী কলেজের সামনে জসিমের চটপটি ও ফুচকা।
৪৯. বাংলাবাজারে (সদরঘাট) চৌরঙ্গী হোটেলের সকালের নাস্তা।
৫০. অমূল্য মিষ্টান্ন ভান্ডারের (শাঁখারীবাজার) হালুয়া, পরোটা, সন্দেশ।
৫১. গোপীবাগের খাজা হালিম ও টিটির কাচ্চি
৫২. বাসাবোর হোটেল রাসেলের "শিককাবাব"
৫৩. বায়তুল মোকাররমে অলিম্পিয়া কনফেকশনারীর "চকলেট পেস্টি"
৫৪. কর্নফুলি গার্ডেন সিটির চার তালার "ফুচকা"
৫৫. কাঁটাবন ঢালে অষ্টব্যঞ্জনের বিফ খিচুড়ী
৫৬. পল্টনের (বিজয়নগর পানির ট্যাকিংর পেছনে) নোয়াখালী হোটেলের গরুর কালো ভুনা
৫৭. ডিসেন্ট (মতিঝিল, হাতিরপুল, বনশ্রী, ধানমন্ডি, চক, নওয়াব---এদের প্রচুর শাখা) এর ডেজার্ট আইটেমগুলা ভালো।
৫৮. বিউটি বোডিং এর মুড়িঘন্ট
৫৯. পল্টনের নোয়াখালী হোটেলের কালো ভুনা